চট্টগ্রাম, শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

নতুন পরিসর-এ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা

পরিসর.কম

প্রকাশিত : ০৩:৫৫ এএম, ২৯ মে ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ১২:৫১ পিএম, ২৯ মে ২০১৭ সোমবার

নতুন পরিসর-এ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা

নতুন পরিসর-এ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা

প্রযুক্তির অনন্য উৎকর্ষে বিশ্ব এগিয়ে চলেছে। আমরাও যোগ দিয়েছি সেই যাত্রায়। আগামী বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে উজ্জীবিত হয়ে আমরা প্রকাশ করেছি একটি মাল্টিমিডিয়া অনলাইন ম্যাগাজিন। দৃশ্য-শ্রাব্য-কথ্য-লেখ্য চার মাধ্যমেই লেখক-পাঠক মিথস্ক্রিয়া হবে এই ই-ম্যাগাজিন ‘পরিসর’-এ।

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ যাত্রা শুরু করে ১৯৯৪ সালে। সেই আত্মপ্রকাশলগ্নে প্রত্যাশা ছিল, বিভাগটি দেশের সাংবাদিকতা চর্চায় অবদান রাখবে।

তৎকালীন প্রশাসনের সে দূরদৃষ্টির প্রশংসা না-করার নয়। কেননা, আজ সগৌরবে দেশের প্রতিষ্ঠিত সকল গণমাধ্যম পরিবারে এই বিভাগের প্রাক্তনদের রয়েছে উজ্জ্বল উপস্থিতি। সাংবাদিকতায় মৌলিক চিন্তার বিকাশ ও দেশের সাংবাদিকতা চর্চা নিয়ে বিদ্যায়তনিক গবেষণার লক্ষ্যে দৃঢ়চিত্তে বিভাগ এগিয়ে যাচ্ছে। যার বিকশিত রূপের আরেকটি ধারা এই অনলাইন ম্যাগাজিন।

পক্ষপাতহীন মতামত, গঠনমূলক সমালোচনা ও আপসহীন মনোভাবের জন্য জার্মানির সংবাদ সংস্থা ‘ডয়চে ভেলে একাডেমি’ সারা বিশ্বের মর্যাদাবান প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। এই প্রতিষ্ঠানটিই আজ আমাদের পথচলায় প্রধান সহযোগী।

২০১৫ সাল থেকে ডয়চে ভেলে একাডেমির ‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার মানোন্নয়ন’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতা চর্চা ও প্রশিক্ষণের জন্য একাডেমির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে অত্যাধুনিক ভিডিও ক্যামেরা, ল্যাপটপ ও ভিডিও এডিটিং প্যানেলসহ নানান সরঞ্জাম বিভাগ উপহার পেয়েছে। একই সাথে সাংবাদিকতা শিক্ষার মান উন্নয়নে ডয়চে ভেলে একাডেমির সহযোগিতায় বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, রেডিও এবং টিভি সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এসব সম্পন্ন হয়েছে যাঁদের অক্লান্ত শ্রমে তাঁরা হলেন, ডয়চে ভেলে একাডেমির দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সমন্বয়কারী প্রিয়া এসেলবর্ন’, নিনা উইট্টে, বার্লিন স্কুল অব জার্নালিজমের প্রধান নির্বাহী জে. উইডম্যান এবং বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মিডিয়া বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম-এর হেড অব নিউজ মাহমুদ মেননসহ আরও অনেকে। আমরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই চবির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী মহোদয়কে, যিনি এই ই-ম্যাগাজিন প্রকাশে তাঁর সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দেখিয়েছেন।

প্রকৃতিতে এসেছে বসন্ত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অসাধারণ স্বর্গরাজ্য চবি ক্যাম্পাসের কোলে ঋতুরাজ বসন্ত সাড়ম্বরে জানান দিচ্ছে বিকাশ ও প্রকাশের কথা। তাই বসন্ত আমেজেই আমরা সাজিয়েছি এই নতুন ই-ম্যাগাজিন।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রয়াসে দিন-দিন এই ই-ম্যাগাজিন বিষয়-বৈচিত্র্যে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।