চট্টগ্রাম, শনিবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সাংবাদিক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি

পরিসর.কম

প্রকাশিত : ১১:০২ পিএম, ১০ জুলাই ২০১৯ বুধবার | আপডেট: ১১:১১ পিএম, ১০ জুলাই ২০১৯ বুধবার

সাংবাদিক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি

সাংবাদিক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরের মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি

বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক, গবেষক, সমসাময়িক বিশ্লেষক এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ পরিবার।

আজ বুধবার(১০ জুলাই) দুপুরে বিভাগের সভাপতি জনাব মোঃ আবুল কালাম  আজাদ এক শোক বার্তায় বলেন, এই সংবাদ আমাদের শোকাতুর করেছে।

বিভাগীয় অধ্যাপক ড. সহিদ উল্যাহ (লিপন) বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকতা ও উন্নয়ন যোগাযোগের বিদ্যায়তনিক প্রসারে প্রয়াত মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একজন পাইওনিয়ার। বিশেষ করে, মিডিয়া সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে, সেই মিডিয়া নিয়েও যে প্রচুর আলোচনা হতে পারে এবং তা সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া যায়, সেটা উনি প্রমাণ করেছেন। বাংলাদেশের গণমাধ্যম সঙ্গত কারণেই উনার অভাববোধ করবে।

বিভাগের অপর অধ্যাপক, আলী আজগর চৌধুরী বলেন, প্রয়াত মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর রাজনৈতিক মতাদর্শের ওপরে উঠে বাংলাদেশে সাংবাদিকতার চর্চার ক্ষেত্রে অনুকরণীয় এবং দৃষ্টান্ত। দেশে সাংবাদিকতার শিক্ষা প্রসারে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়।

বিভাগীয় সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেশের গণমাধ্যম শিক্ষা এবং সাংবাদিকতার বিকাশে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল তা পূরণ হওয়ার নয়। আমরা যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা পরিবার শোকাহত।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভিাগ পরিবারের সাথে প্রয়াত জনাব জাহাঙ্গীরের হৃদ্যতার সম্পর্ক ছিলো। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের আলোচনাধর্মী অনুষ্ঠান অভিমত- যেটিকে বাংলাদেশের টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রথম টক শো জাতীয় অনুষ্ঠান হিসেবে মনে করা হয় - এর সঞ্চালক ছিলেন মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর। প্রয়াত জাহাঙ্গীর ২৫টি বইয়ের রচয়িতা। যার বেশিরভাগই সাংবাদিকতা নির্ভর। তিনি ছিলেন সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট কমিনিউকেশনের নির্বাহী পরিচালক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি দু`টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিষয়ের শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।